কবুতর পালার কিছু অনিয়ম যা এখন নিয়ম হিসাবে প্রচলিত


 

কিছু অনিয়ম নিয়ম হিসাবে প্রচলন হয়েছে ২/৩ বছরে যা সৌখিন কবুতর
বাণিজ্যর সাথে , স্বার্থে শুরু হয়েছিলো ঃ
যার দিকে আমাদের নজর দেয়া উচিৎ ।
১)
খাবার ধুয়ে খাওয়ানো ঃ
খাবার ঝেড়ে বা রোদে শুকিয়ে দিতে পারেন , ধুয়ে কেণো দিবেন ? শুধু ধান ধুয়ে দিবেন অন্য খাবার কখনোই নাহ ,
অনেক সময় ধুয়ে দিলে , মাণ নষ্ট হয় , ভালো ভাবে না শুকালে ফাঙ্গাস পরে , কিছু খাবার আছে পানি পেলে , খাবার নষ্ট হয় , কবুতর ও অসুস্থ হয় ।
আর প্রতিদিনের অতিরিক্ত খাবার জমিয়ে ৪/৫ দিনের টা তারপর দেখবেন কোণ কোণ ঊপাডাণ তাতে নেই যা প্রতিদিন খাওয়ান ঐগূলা এড করে রোদে শুকিয়ে ঐ খাবার আবার দিতে পারেন ।
আপনি নিজেই একবার ভাবূণ বর্ষা কাল রোদ কবে ঊঠে ? কয়দিন পর ? কোণো নিশ্চয়তা ? আপনি খাবার ধুয়ে বিপদে ??
২)
প্রথম ডিম উঠিয়ে রাখা ঃ
অনেকেই প্রথম ডিম উঠিয়ে রেখে , অনেকে নাকি ফ্রিজ এ রাখে তারপর প্লাস্টিক এর ডিম দেয় , পরে ডিম পাড়লে দুই টা ডিম একসাথে ঊমে দেয় ? কেণো ?
অনেক সময় নারা চারায় ডিম ভেঙে যায় , ভূলে যাই পরিবর্তন করতে তখন নষ্ট ও হয় ।
একটা জিনিষ মণে রাখবেন যুগ যুগ ধরে যা চলে আসছে , প্রকিতির নিয়ম এর সাথে সংঘর্ষ না করা ই ভালো ।
বেবী একদিন পর ফূটলে ২/১ টা বেবী ছোট বড় হতে পারে টা স্বাভাবিক ঘটনা যা আক্তএকটু খেয়াল করলে আর সমস্সুযা হয় নাহ ।বাবা মা সুস্থ থাকলে , ভালো মাণের খাবার থাকলে সমস্হযা হবে নাহ ।
৩)
ফসটার দিয়ে ডিম ফুটানো ঃ
এই প্রথা মূলত চালু হইছে সৌখিন কবুতর দেশে বাণিজ্যিক ভাবে শুরু হওয়ার পর থেকেই ।
অর্থের লোভে পরে মানুষ এক মাসে একজোড়া থেকে ৩ জোড়া ডিম নেওয়া শুরু করে তখন মহামারি আকারে রূপ ণেয় ।
মাদি কবুতর হয় ডিমের মেশিন ???? বাজারে যখন ওই কবুতর যায় তা হয় বাঞ্জা বা বাতিল । মানুষ হয় প্রতারিত ।
বাজারে বাচ্চা কবুতর বেড়ে যায় , দাম যায় কমে , বাজার এর হয় পতন ।
তাই আজ একজোড়া কবুতর বাজার মূল্য ৫০০ হলে , বাণজাড় মূল্য চায় ২০০০ টাকা ?
এমনকি ডিম পারা কবুতর এখন বাঞ্জা বলে বেশি দামে বিক্রি করে ????
দেখবেন যাদের মানুষের বাচ্ছা কাজের লোক বা বূয়া পালে তাদের ছেলে মেয়ে বড় হয়ে বাবা মাকে সম্মান করে তো না ই বরং ,খারাপ হয় বেশী , সামাজিক ও হয়না ।
হা আপনি কোণো কবুতর হটাত সমস্যা হল , অসুস্থ হল , বা অনেক কবুতর থাকে বিকল যেমন পা খোড়া ? পাখায় বাত সেইগুলা আলাদা ।
আমরা যারা গিরিবাজ পালি তারা সবাই যার যার বেবী তাকে দিয়েই ফুটাই , তাকে দিয়েই খাওয়াই । এতে কবুতর ভালো থাকে , দীর্ঘ দিন ডিম বেবী নেওয়া যায় , নতুবা কবুতর দ্রুত প্রজনন ক্ষমতা হাড়ায় ।
৪) অতিরিক্ত ঔষধ ও যত্ন ঃ
যারা ছেড়ে পালে কবুতর , মাটিতে তাদের সমস্যা খূব কম হয় ।
অনেক বেশী নয় ৪/৫ টা ওষুধ মাসে খাওয়াতে পারেন ।
ভালোর শেষ নেই , তাই বলে , আদা , রসন , পিয়াজ , কমলার রস ? আপেল এর রস আরও মাল্টা , আনার / বেদানা ...আঙ্গুর ......অনেক কিছুই অনেকে করতে চাই যা করতে গিয়ে কবুতর আর নিজের ও ক্ষতি করি , একপর্যায় পরিবার , সমাজ এর কাছে কবুতর পালা একটা সমস্যা হয়ে দাড়ায় ।
কবুতর এর খাঁচার ট্রে , বা পায়খাণা প্রতিদিন বা অনেকে প্রতি মুহূর্তে পরিষ্কার করি ??
যা কঠিন কষ্ট সাধ্য ও বিরক্তিকর ??? হা আপনি প্রতি সপ্তাহে ২ বার করতে পারেন ।
২/১ জন আছেন যারা নিজের ঘড়ে বা বারান্দায় পালেণ তাদের বিষয় আলাদা ।
সব কিছুর সাথে টাকার , সময়ের ও সম্পর্ক থাকে । আর ণীজে ও বিরক্ত হই একসময় দোষ পরে
কবুতর পালার , পরে পালা ছেড়ে দেই ।
খেয়াল করবেন কমলাপুর বা যেকোনো বাস এশটাষোণ এ ছেলে মেয়ে কতো নোংরা জায়গায় থাকে ওরা কতো নাদুস নুদুস ? তাই নাহ কিন্তু আমাদের ছেলে মেয়ে ???? অনেক কেয়ার এর পর ও... সমস্যার শেষ নেই ।
তাই যতটা পারি , অতিরিক্ত ওষুধ থেকে দূরে থাকি ?? অতিরিক্ত যত্ন থেকে দূরে থাকি শান্তিতে কবুতর পালি । নিজের ও পরিবারের কাছে কবুতর যেন শত্রু বা বোঝা না হয় ।
বি ঃ দঃ
আমার নিজের মত শেয়ার করলাম , আপনার মতামত জানান দয়া করে ।
ভুল বা দ্বিমত থাকতে পারে গঠন মুলক সমালোচনা করুন । কাউকে আঘাত করে যেন কথা না হয় ??

মূল পোস্ট ঃ দেখুন


তরিক বিন শহিদ


Comments